শিক্ষার্থীদের আচরণগত সমস্যা সমাধানের উপায়

মাছুম বিল্লাহ : শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের অচরণগত সমস্যা একটি সার্বজনীন ও স্বাভাবিক ব্যাপার। আমরা অনেক শিক্ষক মনে করি, শিক্ষার্থীরা সব সময় থাকবে ভদ্র, নম্র, মনোযোগী এবং সর্বদাই চমৎকার আচরণ প্রদর্শন করবে। এটি আসলে ‘ইউটোপিয়ান আইডিয়া’ অর্থাৎ কল্পনায় আছে, বাস্তবে নেই। শিশুরা কিংবা কমবয়সী ও কিশোর শিক্ষার্থীরা তাদের বয়স অনুযায়ী স্বভাবগত কিছু উল্টোপাল্টা আচরণ করবেই। তাছাড়া বিভিন্নজন বিভিন্ন পরিবার, পরিবেশ ও অবস্থা থেকে এসেছে। তাদের সকলের পক্ষে একই ধরনের আচরণ কিংবা সর্বদাই সদাচরণ আশা করা ঠিক হবে না। তারা সব সময় আমাদের কাঙ্খিত আচরণ করবে না- এটি ধরেই নিতে হবে। তাহলে কীভাবে সেগুলো মোকাবেলা করব?

শিক্ষার্থীদের সাথে সম্পর্কন্নোয়নের বিভিন্ন পন্থা খুঁজতে হবে। বিষয়টি সতর্কতার সাথে করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী যখন রিল্যাক্সড মুডে থাকে অর্থাৎ অবসাদমুক্ত থাকে তখন তার সাথে অনানুষ্ঠানিক কথা বলা যেতে পারে। তার কাছে কোনো অজুহাতে ছোট কোনো অনুরোধ করা, ছোট ধরনের সাহায্য চাওয়া, উপদেশ দেওয়া, তার পছন্দের কিছু তাকে দেওয়া যেতে পারে। ছোটখাট অজুহাতে তার সাথে আপনার যত বেশি কথা হবে, ইন্টারঅ্যাকশন হবে, আপনাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তত বাড়বে, এতে একে অপরকে আরও বেশি জানার সুযোগ সৃষ্টি হবে। অনেক শিক্ষক শিক্ষার্থীদের বিশেষ দিক সম্পর্কে বর্ণনা দেন ভাসাভাসাভাবে, অর্থাৎ ছেলেটির নাম বলতে পারেন না, তার ভালো কোনো দিক সম্পর্কে মনে করতে পারেন না, তার পরিবার সম্পর্কে তথ্য তাদের কাছে থাকে না। অর্থাৎ শিক্ষার্থী সম্পর্কে ‘কেস স্টাডি’ নেই। কোন শিক্ষার্থীর নাম ধরে ডাকলে তার মধ্যে এক ধরনের বিশেষ অনুভূতির সৃষ্টি হয় যা আপনার এবং তার মধ্যে এক ধরনের ঘনিষ্ঠতা সৃষ্টি করে। শিক্ষার্থী মনে করে, স্যার আমার নাম জানেন। তার মানে তিনি আমার সম্পর্কে আরও কিছু জানেন, জানার চেষ্টা করেন। অতএব আমি স্যারের সাথে কিংবা তার সামনে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু করতে পারব না।

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণের একটি চমৎকার পদ্ধতি হচ্ছে উপর থেকে নিচের দিকে গণনা করা। যেমন ১০,৯,৮,৭ এভাবে। শিক্ষার্থীরা একটি কাজ করছে কিংবা গ্রুপ ওয়ার্ক করছে, তাদেরকে থামাতে হবে। হতে পারে তারা দলগত কাজে এমনভাবে বসেছে যে, আপনি সবার সামনে যেতে পারছেন না, অথবা একবাক্যে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারছেন না, এসব ক্ষেত্রে এই ধরনের গণনা তাদেরকে তাদের কাজ বন্ধ করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এতে সুবিধা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের আপনাকে দেখার প্রয়োজন হচ্ছে না, আপনার কণ্ঠস্বর শুনে তারা আপনাকে অনুসরণ করবে। প্রথম কিছু শিক্ষার্থী আপনার সাথে কাউন্ট করবে, পরে হয়তো করবে না। আবার কেউ কেউ আপনি ‘০’ তে আসলেও তারা কথা বলা বন্ধ করবে না হয়তো। পরবর্তী কয়েকটি ক্লাস করানোর পরে এবং আরও কয়েকদিন প্রাকটিস করলে বিষয়টির সাথে শিক্ষার্থীরা অভ্যস্ত হয়ে যাবে। সকল শিক্ষার্থী শিক্ষকের সাথে প্রথম বা দ্বিতীয়বারও কাঙ্খিত আচরণ নাও করতে পারে, এজন্য প্রস্তুতও থাকতে হবে। ভেঙ্গে পড়া যাবে না। মনে রাখতে হবে সে আপনার সম্পর্কে পুরোটা জানে না, সে শিক্ষার্থী হিসেবেই আচরণ করেছে। আপনার সম্পর্কে পুরোপুরি জানার তার সুযোগ হয়নি, কিংবা আপনি তাকে সে সুযোগ দিতে পারেননি। তাই আপনার সাথে সে, গড়পড়তা আচরণ করেছে। আপনাকে সে পরীক্ষাও করতে পারে। আপনি আসলে কি চান? তার সাথে সম্পর্কোন্নয়ন করতে চান, না অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে। আরও একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, যে কোন বিষয়ে কনফ্লিক্ট বা দ্বন্দ্ব বাধানো খুব সহজ, আর চালাক প্রকৃতির শিক্ষার্থীরা তা সহজে করার চেষ্টা করতেই পারে। পরে বন্ধু-বান্ধবদের সাথে এটি নিয়ে মুখরোচক গল্পও করতে পারে- অমুক স্যারকে পাত্তা দিই না, তিনি আমার সাথে কি যেন বলতে চেয়েছিলেন, গুরুত্ব দিইনি ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনি কিন্তু দমবেন না। আপনি বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে নিবেন না। কারণ এটি আপনার বিজনেস, একটি আপনার পেশাগত দায়িত্ব।

আপনাকে বিরক্ত করার জন্য কিংবা রাগানোর জন্য যখন কোনো শিক্ষার্থী উদ্দেশ্যহীন প্রশ্ন করবে, শ্রেণিকক্ষের ডেকোরাম না মেনে যখন কোন কিছু জিজ্ঞেস করবে, উদাসীনভাবে বা তাচ্ছল্য সহকারে যখন কোন কিছু জিজ্ঞেস করবে তখন লক্ষ্য রাখবেন কোন শিক্ষার্থী সঠিক আচরণ করছে, তাকে প্রশংসার সুরে বলুন যে, ‘অনেক ধন্যবাদ সাব্বির, হাত তুলে প্রশ্ন করার জন্য। মূলত এটিই নিয়ম।’ আমরা যখন প্রশ্ন করব, এভাবেই করব। সবাইকেই তাই করতে হবে। আমরা শুধু একাডেমকি বিষয় নয়, এগুলো শেখার জন্যই শ্রেণিকক্ষে এসেছি। এ রকম বলায় কিংবা সঠিক আচরণ প্রত্যক্ষভাবে দেখানোর ফলে চালাক ও দুষ্ট শিক্ষার্থী মানসিকভাবে সেটি করার জন্য প্রস্তুত হবে। এটি সাধারণ সাইকোলজি। শিশুশ্রেণির ক্ষেত্রে এমনটি হতে পারে যে, বাবা কিংবা মাকে একদিন কিংবা কয়েক ঘণ্টা ক্লাসে কাটানোর জন্য অনুরোধ করতে পারেন। কারণ দুরন্ত ও চালাক ছেলেটি বা মেয়েটি তার বাবা বা মায়ের উপস্থিতিতে তার আচরণে পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। আবার না আনলে সেটিও শিক্ষকের জন্য পজিটিভ। কারণ অভিভাবক নিজেই প্রত্যক্ষ করতে পারবেন তাদের বাচ্চার আচরণ। অতএব, তিনি বাড়িতে হয়তো তাকে সেভাবে কিছু উপদেশ দিবেন, শুধু শিক্ষকের উপরে দোষ চাপাবেন না যেটি অনেক অভিভাবক করে থাকেন।

কখনও কখনও কুইক লার্নার যারা, তারা অনেক বিষয় সহজেই বুঝে ফেলে কিন্তু শিক্ষক বাকীদের বুঝানোর জন্য যখন সময় নেন বা ধীর লয়ে কাজ করেন বা করান তখন ফাস্ট লার্নার কিন্তু বিরক্ত অনুভব করে এবং উল্টো-পাল্টা আচরণ করতে পারে। এক্ষেত্রে তাকে নেতৃস্থানে বসাতে পারেন। যে বিষয়টি সে তাড়াতাড়ি বুঝে ফেলেছ, অন্যেরা বুঝেনি, সেটি তাকে ব্যাখ্যা করতে বলতে পারেন। এতে সে বেশি চ্যালেঞ্জ অনুভব করবে। তার অলসভাবে সময় কাটানোর বিষয় থাকবে না। তার সংযুক্তির কারণে তার ব্যস্ততা বেড়ে যাবে, ফলে শ্রেণিকক্ষে তার আচরনে পরিবর্তন আসবে। বয়স অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখার একটি নির্দিষ্ট সময়কাল থাকে। সাধারণত প্রতি একবছর বয়সের জন্য এই অ্যাটেনশন স্প্যান এক মিনিট ধরা হয়। অর্থাৎ পাঁচ বছরের একটি শিশু একটানা পাঁচ মিনিট কোনো একটি দিকে মনোযোগ দিতে পারে। সাত বছরের একটি শিশু সাত মিনিট। কাজেই ত্রিশ বা পয়ত্রিশ মিনিটের একটি ক্লাসে একটি শিশু কিন্তু পুরো সময় মনোয়োগ ধরে রাখতে পারে না। এমন আশা করাটা শিশু মনোবিজ্ঞানের বাইরে। আমরা শিক্ষক হিসেব শিক্ষার্থীদের চেয়ে বয়সে বড়, অতএব আমাদের অ্যাটেনশন স্প্যানও দীর্ঘ, সেটির সাথে শিক্ষার্থীদের অ্যাটেনশন স্প্যান তুলনা করলে হবে না। তাদের যদি বয়স অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পরপর কার্যাবলী পরিবর্তন না করাই, নড়াচড়া না করাই তাহলে তাদের মনোযোগ পাঠের প্রতি নেওয়া যাবে না। সম্ভব হলে শ্রেণিকক্ষে অল্প সময়ের জন্য কিছু ‘অ্যাক্টিভিটি’ করাতে হবে, মুভ করাতে হবে, ক্লাসের বাইরে নিয়ে যেতে হবে অন্তত দুই তিনটি ক্লাসের পর।

শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন, উত্তর, কার্যাবলী ও আচরণে শিক্ষকদের ‘সাড়া’ দিতে হবে। ‘রিঅ্যাক্ট বা প্রতিক্রিয়া’ দেখানো যাবে না। এ দুটোর মধ্যে একটি বড় পার্থক্য আছে। রি-অ্যাক্ট করলে অর্থাৎ প্রতিক্রিয়া দেখালে উত্তর বা কাজ হবে উত্তেজিতভাবে, আবেগতাড়িতভাবে। আর সাড়া দেওয়া ব রেসপন্ড করা মানে ভেবেচিন্তে কথা বলা, ধীর-স্থিরভাবে কথা বলা, শিক্ষার্থীদের বোধগম্য ভাষায় কথা বলা, আবেগকে দূরে সরিয়ে দেওয়া, যুক্তি অনুযায়ী কথা বলা। শুধুমাত্র শ্রেণিকক্ষে বা শিক্ষার্থীদের সাথে নয়, জীবনের সর্বক্ষেত্রে বিষয়টি প্রযোজ্য। শ্রেণিকক্ষে সবার সামনে কোন শিক্ষার্থীকে ধমকানো, শাসানো ভঙ্গিতে কথা বলা, তার শৃংখলাভঙ্গের বিষয়ে কথা বলা কোনভাবেই ঠিক নয়। তাতে তার আত্মসম্মানের হানি হবে, ফলে সে আরও বিদ্রোহী হয়ে উঠবে। হীতে-বিপরীত হবে। তাই তার সাথে শৃংখলা সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু বলতে হলে আলাদা করে নিয়ে বলাটাই উত্তম। শিক্ষার্থীদের সম্মান না দেখালে তারাও শিক্ষককে সম্মান দেখাবে না। বয়সে তারা যত ছোটই হোক না কেন তাদের আত্ম-সম্মানবোধ আছে, সেটি শিক্ষক হিসেবে আমাদের বুঝতে হবে।

আচরণগত সমস্যার ক্ষেত্রে পজিটিভ ল্যাংগুয়েজ, গ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করতে হবে। আক্রমণাত্মক বা অগ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করা যাবে না, এ বিষয়ে শিক্ষককে সাবধান থাকতে হবে। অগ্রহণযোগ্য কিংবা আক্রমণাত্মক কোন কথা শিক্ষক বললে অবস্থা আরও খারাপ হবে। যে ব্যবহার আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ক্লাসে আশা করি, তার উপর জোর দিতে হবে, অগ্রহণযোগ্য ভাষার উপর নয়। যেমন ‘তোমরা বইয়ের ২০পৃষ্ঠা খোল’ বলাটা ‘সিটে বসে ঠেলাঠেলি করবে না’, কিংবা ‘খাতায় দাগাদাগি করো না’ বলার চেয়ে উত্তম। কোন শিক্ষার্থীর খারাপ আচরণের মূল কারণ খুঁজতে হবে। তার খারাপ আচরণে হঠাৎ ক্ষুদ্ধ হয়ে, প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে তার পেছনের কারণ জানতে হবে। কিছু কিছু শিক্ষার্থীর হয়তো বদ্ধ ক্লাসরুমে বেশিক্ষণ পছন্দ নয়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্লাসে বসে থেকে সে, উসখুশ করবে, এলোমেলো আচরণ করবে। এসব ক্ষেত্রে তাদের কিছুক্ষণ ক্লাসের বাইরে কিছু একটা করতে দিলে অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে। কারুর বাবা-মা ’র মধ্যে ঝগড়া হয়েছে, কিংবা বাসায় অন্যকোন সমস্যা হয়েছে যা শিক্ষার্থীকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এই ধরনের সমস্যা শিক্ষার্থী ক্লাসে নিয়ে আসবেই, এটিই স্বাভাবিক। সে মন থেকে বিষয়টি সরাতে পারবে না, কাজেই ক্লাসে সে মনোযোগী হবে না বরং তাকে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে বা সামান্য উত্তেজিত করলে সে রেগে উঠবে। আবার কোনো কিছু পড়াতে গিয়ে যদি বিষয়টি খুব কঠিন হয় শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারছে না, তাহলেও কিন্তু তারা এলোমেলো আচরণ করবে। শিক্ষক বিষয়টি টের পেলে এসব ক্ষেত্রে এমন কিছু অ্যাক্টিভিটি করাতে পারেন যা তাদেরকে হাসায়, মন অন্যে দিকে নিয়ে যায়।

শিক্ষার্থীদের রাগান্বিত, অসৌজন্যমূলক আচরণের ক্ষেত্রে শিক্ষককে সৌজন্যমূলক আচরণ করতে হবে। তারা লজ্জা পেয়ে যাবে, মনের মধ্যে এক ধরনের ধাক্কা খাবে। ফলে, তারা তাদের উচ্চ কণ্ঠস্বর নামিয়ে কথা বলবে, কেউ কেউ ক্ষমাও প্রার্থনা করবে। তারা ভাবতে বাধ্য হবে যে, আপনি তাদের প্রকৃত মঙ্গল চান। এভাবে আপনি তাদের সামনে হবেন অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তাদের কথা মন দিয়ে শুনুন, হালকা বা ভাসাভাসাভাবে শুনবেন না। তাদের বলার সুযোগ দিন। তাদের মনের মধ্যে চাপা ক্ষোভ প্রকাশ করার সুযোগ দিন। সেই অনুযায়ী আপনি আচরণ করতে পারবেন। ব্যবস্থা নিতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক দক্ষতা ছাড়াও ব্যক্তিগত ও সামাজিক দক্ষতাগুলোও শেখাতে হবে। যেমন যোগাযোগ, ভাব আদান-প্রদান করা, ধৈর্য্য ধরে শ্রবণ করা, নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা। তাদেরকে পড়াশুনা সম্পর্কিত দক্ষতাগুলো যেমন কোন কিছুতে মনোযোগী হওয়া, কাউকে প্রয়োজনের সময়ে সাহায্য করা, স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ইত্যাদি বিষয়গুলো হচ্ছে একাডেমিক দক্ষতার শর্ত। আচরণগত সমস্যায় আক্রান্ত কোন শিক্ষার্থীকে আপনার সব ধরনের প্রচেষ্টা গ্রহণ করার পরেও যদি তার কোন পরিবর্তন না হয়, তাহলে তাকে এডুকেশন সাইকোলজিস্টের কাছে পাঠাতে হবে। এর আগে বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, কো-অর্ডিনেটরের সাথে আলোচনা করতে হবে। কোনো বিষয়ে একজনের পরামর্শ কাজে নাও লাগতে পারে, এক্ষেত্রে শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা কাজে লাগাতে হবে। এর মাধ্যমে অন্য সহকর্মীরা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ জানবেন যে, আপনি বিষয়টি নিয়ে ভাবেন, চিন্তিত, যত্নবান এবং চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এক্ষেত্রে তারা আপনার সহযোগিতায় এগিয়ে আসবেন। তাদের সহযোগিতা আপনি অন্যভাবে, অন্যক্ষেত্রেও পাবেন যেটি আপনার পেশাগত জীবনে খুবই প্রয়োজন।

লেখক: ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × one =