‘কম পাস করলেও অপরাধ, বেশি পাস করলেও অপরাধ!’

গত ১৯ জুলাই প্রকাশিত হলো আমাদের চতুর্থ পাবলিক পরীক্ষার ফল। চতুর্থ বলছি এজন্য যে, প্রথম পাবলিক পরীক্ষা হচ্ছে পঞ্চম শ্রেণির সোনামণিদের জন্য, তারপর অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষা বা জেএসসি এবং তৃতীয় পাবলিক পরীক্ষা হলো এসএসসি। প্রতি বছরই বাড়ছিল উচ্চ মাধ্যমিকসহ অন্যান্য পাবলিক পরীক্ষার পাসের হার, আর তার সাথে বাড়ছিল অস্বস্তি। এবার একটু যেন বিষয়টি থেমে গেছে। এইচএসসিতে পাসের হার গত দশ বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে কম।

এবার পাসের হার ৬৪.৫৫ শতাংশ যা ২০০৯ সালে ছিল ৭০.৪৩ শতাংশ, ২০১২ সালে ৭৬.৫০ শতাংশ। কত বড় বৈষম্য! কত বড় বৈপরীত্য! ঐ বছরগুলোতে যারা উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে উচ্চশিক্ষায় আছে কিংবা বিদেশে গিয়েছে কিংবা কর্মস্থলে প্রবেশ করেছে তারা কি বেশি মেধবী ছিল? দিন দিন মেধার প্রকাশ তো আরও বেড়ে যাওয়ার কথা, হয়েছে উল্টো! বিষয়টি সবারই জানা, তাই সচেতন নাগরিকগণ অস্বস্তি প্রকাশ করে আসছিলেন যে, এত পাস কীভাবে হয়? পাস হয় কিন্তু যে মানে শিক্ষার্থীদের পৌঁছানোর কথা তারা অনেকেই তার ধারে কাছেও নেই। তাই ড. মনজুরুল ইসলাম বলেছেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ভর্তি হতে আসে তাদের অনেকের দক্ষতা অষ্টম-নবম শ্রেণির পর্যায়ে থাকে। আর গণহারে যখন পাস করে এবং জিপিএ-৫ পায় তখন সরকার থেকে বলা হয়, দেশে পড়ার সুষ্ঠু পরিবেশ ছিল, কোন রাজনৈতিক গোলযোগ ছিল না, শিক্ষকগণ ভালোভাবে পড়িয়েছেন, শিক্ষার্থীরাও মনোযোগী ছিল- এসব জাদুর কারণে পাবলিক পরীক্ষার ফল ভালো হয়েছে। আবার সকলের সমালোচনা যখন হজম করার মতো অবস্থায় থাকে না তখন শিক্ষা সংক্রান্ত সংস্থাগুলো যেমন মন্ত্রণালয়, বোর্ড, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকগণ পরীক্ষা সংক্রান্ত ফ্যাক্টরগুলোর দিকে একটু বেশি নজর দেন। আর তখনই ফল হয় নিম্নগামী। তার মানে কি?

পাবলিক পরীক্ষা এখনও পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্যতার দিকে আগায়নি। ফল নিম্নগামী হলেও সরকার ক্রেডিট নেওয়ার জন্য নতুন কিছু কথা বলছে। কিন্তু কথাগুলো তাদের বিপক্ষেই যাচ্ছে। কারণ কথাগুলো পূর্বের সমস্যাগুলোকেই চিহ্নিত করছে। যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে, এখন আমরা মানের দিকে এগিয়েছি তাই ফল এমন হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন যে, ‘কম পাস করলেও অপরাধ, বেশি পাস করলেও অপরাধ।’ বিষয়টি কিন্তু উপরোল্লিখিত ব্যাখ্যার মধ্যে নিহিত। একটি বিষয় কিন্তু আমরা ভুলে যাইনি, প্রশ্ন যখন আউট হয়েছিল, সবাই যখন মুখে মুখে বলেছে যে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, তখন তারা বলেছিলেন ‘কোন প্রশ্ন ফাঁস হয়নি, এটি অপপ্রচার’। তাই ফাঁসকারীরা নির্বিঘ্নে কাজটি করে যাচ্ছিল। কিন্তু বিষয়টি যখন আর লুকোছাপার পর্যায়ে রইল না তখন সরকার কঠোর হতে শুরু করলো। দ্রুত তারা কিছু পদক্ষেপ নিলো। সেই পদক্ষেপের ফলেই এমন ফল- এটিই সত্যি কথা। এই সত্যিকারের বিষয়টিই মানুষ চায়। সমাজের সবাই তো আর রাজনীতি করে না যে, রাজনৈতিক স্বার্থে তারা এসব কথা বলছেন। এই বিষয়টি আমাদের কর্তা ব্যক্তিরা বুঝতে চান না। তারা সবকিছু রাজনীতি দিয়ে দেখতে চান। আর সমস্যা হয় এখানেই।

এবার এইচএসসির গড় পাসের হার ২০১৭ সালের পাসের হার থেকে ২.২৯শতাংশ কমেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫,৫৬২ জন যা গতবারের চেয়ে ৭,৬৮০ জন কম। ২০১৪ সালের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই যে, ৫৭,৭৮৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। তাহলে এবার কি হলো? মন্ত্রণালয় কিন্তু তখনও দাবি করেছিল যে, শিক্ষার্থীদের মান বেড়েছে, পড়াশোনার মান বেড়েছে, শিক্ষকদের মান বেড়েছে তাই এত জিপিএ-৫ পাওয়ার হার বেড়েছে? তাহলে উপরের সব মানই এই চার বছরে কমে গেল? এই চার বছরে তো আরও মান বেড়ে যাওয়ার কথা! আর এই কারণেই মানুষ পাবলিক পরীক্ষার ফল নিয়ে কথা বলে, প্রশ্ন তোলে। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ইংরেজি বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে পড়ানো হয়। যে উদ্দেশ্যে বিষয়টিকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং পড়ানো হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশাল একটি অংশ তার ধারে কাছে যায় না। তারা বিষয়টিতে যেনতেন ভাবে পাস করে আস। মূলত ইংরেজি পড়ানো হচ্চে যাতে তারা ইংরেজি শুনে বুঝতে পারে, নিজে ইংরেজিতে স্বাভাবিক কমিউনিকেশনগুলো করতে পারে, নিজে লিখতে পারে এবং ইংরেজিতে লেখা বিষয় পড়ে বুঝতে পারে। যাতে একজন শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা নিতে সুবিধা হয়, বিদেশে যেতে সুবিধা হয়, দেশে কিংবা বিদেশে একটি ভালো কাজ পায়। এই প্রাকটিস তো স্কুল কলেজে হয় না। স্কুল কলেজে যা হয় তা হচ্ছে, টেক্সট বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ চার-পাচটি প্যাসেজ থেকেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বছরের পর বছর প্রতিটি শিক্ষাবোর্ডে গৎবাধা কয়েকটি প্রশ্ন আসে। ক্লাসে, কোচিং সেন্টারে, কিংবা প্রাইভেট পড়ানো হয় ঐ নির্দিষ্ট কয়েকটি প্যাসেজ, প্যারাগ্রাফ, দুই তিনটি রচনামূলক প্রশ্ন। শিক্ষার্থীরা ঐ বিষয়গুলোতেই প্রস্তুতি নেয়। অর্থাৎ নিজে লেখা বা এর বাইরে লেখার কোন ধরনের সামথ্য অর্জন করানোর চেষ্টা করানো হয় না। শিক্ষার্থীদেরও দরকার পাস করা কিংবা গ্রেড পাওয়া। তাদের যে স্কীল অর্জন করতে হবে অন্তত রিডিং ও রাইটিং-এ যার উপর পরীক্ষা নেওয়া হয় সে বিষয়টি তারা এড়িয়ে যায়। আর স্পিকিং ও লিসেনিং নিয়ে তো কোন কথাই নেই। যদিও ভাষার এ দুটো স্কীলই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ লিসেনিংয়ের মাধ্যমে আমরা ৪০ শতাংশ আর স্পিকিং-এর মাধ্যমে ৩৫ শতাংশ কমিউনিকেশন করে থাকি। শিক্ষার্থীদের প্রাকটিস করা চার-পাঁচটি প্যাসজে ছাড়া টেক্সট বইয়ের অন্যান্য চ্যাপ্টার থেকেও যদি কোন প্রশ্ন করা হয় তখন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, সমাজ সবাই বলে, ইংরেজির প্রশ্ন খুব কঠিন হয়েছে। আর এর বাইরে থেকে দিলে তো কথাই নেই। যা এবার বলা হচ্ছে। ইংরেজির প্রশ্ন কঠিন হয়েছে বলে সিলেট বোর্ডে ৩০ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৩৫ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ২৮ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। এ নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা দরকার। কিন্তু আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন কি কোন ইউনিট আছে যে, এ বিষয়গুলোর উপর গবেষণা করবে? নেই। কিংবা শিক্ষা বোর্ডগুলোতে একটি গবেষণা ইউনিট থাকা প্রয়োজন, সেই চিন্তা কি আমরা কখনও করছি?

আবার দেখা যায়, বাংলায় পাসের হার একটি বোর্ড বাদে সব বোর্ডেই ৯০ শতাংশের উপরে। গত বছর বাংলায় পাসের হার ছিল ৯৪ শতাংশ, এবার ৯৫ শতাংশ। বাংলায় এত পাস করা বা নাম্বার পাওয়ার কারণ কি? বাংল কি খুব সহজ? এত বছর যাবত প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পাবলিক পরীক্ষগুলোতে বাংলা ও ইংরেজিতে গণহারে পাস করত ও জিপিএ-৫ পেত। হঠাৎ একটু খেয়াল করে দেখা হলো শিক্ষার্থীরা এত নাম্বার যে পাচ্ছে, এত হারে পাস করছে তারা ভাষা কতটা আয়ত্ব করতে পারছে তা দূরে থাক, তারা বাংলা দেখে পড়তে পারছে তো? দেখা গেল যে, বাংলা বই দেখেও তারা পড়তে পারছে না। ইংরেজি তো দূরের কথা। কিন্তু বাংলা ও ইংরেজিতে পাস করা, জিপিএ-৫ পাওয়া কোনটাই থেমে নেই। এখন প্রাথমিক পর্যায়ে শুরু হয়েছে ‘শিক্ষার্থীদের রিডিং’ কাজ। শুরু হয়েছে নতুন প্রজেক্ট। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকেও এই অবস্থার খুব একটা পার্থক্য নেই। কিন্তু পাস তো ৯৫ শতাংশ করে ফেলল। বিষয়টিকে মন্ত্রণালয় কিভাবে দেখছে?

পদার্থবিজ্ঞানে এবার পাসের হার ৮৬.১৫ শতাংশ। গত বছর ছিল ৯২.১৭ শতাংশ, রসায়নে এবার ৯৪.৩৫ শতাংশ, গত বছর ৯৭.৫৮ শতাংশ, উচ্চতর গণিতে এবার পাস করেছে ৮৭.০৫ শতাংশ, গতবার ৯৫.৮৯ শতাংশ। জীববিজ্ঞানে এবার ৯৪.০৭ শতাংশ, গতবার ৯৬.৯৩ শতাংশ। আইসিটিতে এবার পাসের হার ৮২.৮৩ শতাংশ, গতবার ছিল ৮৮.৫৪ শতাংশ। আইসিটিতে তো সকল প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নেই বলে আমরা জানি। কিন্তু বিজ্ঞান বিষয়ের পাসের হারের তারতম্য অনেক কিছু বলে দেয়। এবার মানবিকে পাসের হার ৫৫.২৩ শতাংশ, গতবছর যা ছিল ৫৬.৫৯ শতাংশ। বাণিজ্যে ৭০.৫৭ শতাংশ, গতবার ছিল ৭৪.৫০ শতাংশ।

গত বছর দেশজুড়ে আলোচনা চলছিল যে, কুমিল্লা বোর্ডে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভরাডুবি হয়েছে। এবার এক লাফে ফল ১৬ শতাংশ বেড়ে গেছে। জাদুটা কোথায়? কুমিল্লা বোর্ড হঠাৎ কি এমন করল? ‘খাতা একটু উদারতার সাথে দেখবেন’-এ জাদু ছাড়া আর তো কিছু দেখছি না। কিন্তু বোর্ড কর্তৃপক্ষ কি তা স্বীকার করবেন? যদি অন্য কিছু বলতেই চান তাহলে তার জন্য অবশই গবেষণা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ থাকতে হবে, তা না হলে সচেতন সমাজকে তা বিশ্বাস করাতে পারবেন না। এবার বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮১.৮২ শতাংশ যা গতবার ছিল ৮৮.৩৬ শতাংশ। বিজ্ঞান কি মুখস্থ করে শেখার বিষয়? বিজ্ঞান কি নকল করে শেখার বিষয়? কিন্তু ফলতো তাই বলছে। বিজ্ঞান এভাবে পড়ার বা পড়ানোর ফলটা কি হচ্ছে? প্রতি বছর আমরা হাজার হাজার ডাক্তার তৈরি করছি কিন্তু আমাদের চিকিৎসা হচ্ছে ভারতে। একটু জটিল রোগ হলেই আমাদের দেশের ডাক্তারগণ আর ধরতে পারছেন না। উচ্চবিত্তরা যাচ্ছেন সিঙ্গাপুর আর থাইল্যান্ডে আর সাধারণ মানুষ জমিজমা বিক্রি করে চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন ভারত।

এবারের পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে পজিটিভ যে বিষয়গুলো যুক্ত হয়েছে সেগুলো প্রশংসার দাবীদার। যেমন পরীক্ষা শুরুর আধ ঘণ্টা আগে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বলা। পরীক্ষা শুরুর ২৫মিনিট আগে কোন সেটে পরীক্ষা হবে তা ঠিক করা। পূর্ববর্তী বছরগুলোতে পরীক্ষা শুরুর আগে আগেই এমসিকিউ প্রশ্ন ফাঁস হয়ে সর্বত্র মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তো, আর উত্তর তৈরি করে শিক্ষার্থীদের দেওয়া হতো। বহু সমালোচনার পর শিক্ষাবিদগণ কিছু পরামর্শ দিলেন, মন্ত্রণালয় পরামর্শগুলো মানতে শুরু করেছে এবং কিছুট ভালোর দিকে এগুচ্ছে। সবাই হাল ছেড়ে দিয়েছিল। পরীক্ষকগণ অনেকেই ঠিকমতো খাতা মূল্যায়ন করতেন না। তারা জানতনে যে, ভালোভাবে খাতা না দেখলেও অসুবিধা নেই বরং কেউ ফেল করলে অসুবিধা। এবার সেদিকেও একটু খেয়াল করা হয়েছে। প্রধান পরীক্ষকগণ খাতায় শুধু সই করতেন যদিও দশ-বারো শতাংশ খাতা তাদের পুর্নমূল্যায়ন করার কথা। এবার তারা করেছেন। আর মডেল উত্তরপত্র দেওয়া হয়েছিল যা পরীক্ষকদের অনেকটাই সহায়তা করেছে উত্তরপত্র মূল্যায়নে।

মেয়েরা শিক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছে। এটি আনন্দের সংবাদ কিন্তু এই আনন্দের সংবাদের পেছনের কারণগুলো তো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হতে হবে। আমাদের জানতে হবে, সবাইকে জানাতে হবে। সেজন্য তো গবেষণা ছাড়া উপায় নেই। দশটি শিক্ষাবোর্ডে ছেলেদের পাসের হার ৬৩.৮৮ শতাংশ আর মেয়েদের ৬৯.৭২ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছাত্রদের পাসের হার ছিল ৬৮.৬১শতাংশ আর ছাত্রীদের ৭০.৪৩ শতাংশ। ২০১৬ সালেও ছাত্রদের পাসের হার ছিল ৭৩.৯৩ শতাংশ আর ছাত্রীদের ৭৫.৬০ শতাংশ। এই ক্রমবর্ধমান পাসের বিভিন্নতা সম্পর্কে শিক্ষা বোর্ড বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উত্তর কি? উত্তর অবশ্যই তাদের তৈরি করা আছে কিন্তু সেটি তো আর সচেতন সমাজ মেনে নেবে না। দরকার গবেষণা। বলা হচ্ছে ২৬টি পত্রের মধ্যে ৫০টি পত্রে সৃজনশীল প্রশ্ন হয়েছে, অনেক শিক্ষার্থী তা ভালোভাবে বোঝে না তাই এবারের ফল প্রভাবিত হয়েছে। এখানে তাহলে বলা যায় মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে একটু বেশি সৃজনশীল, ব্যাপারটি কি আসলেই তাই? সে প্রমাণও বিজ্ঞানভিত্তিক হতে হবে আর সেজন্যও প্রয়োজন সঠিক গবেষণা।

লেখক: ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

1 × one =