জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শনিবার

শনিবার সারা দেশে দিনব্যাপী হবে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন। এদিন ২ কোটি ১৯ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৬-১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লাখ আইইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লাখ আইইউ) খাওয়ানো হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচি পালন করবে।

দেশব্যাপী ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রসহ আরো ২০ হাজার ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে দুর্গম এলাকা হিসেব ১২টি জেলার ৪২টি উপজেলার ২৪০টি ইউনিয়নে পরবর্তী চার দিন (১৫-১৯ জুলাই) বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের সার্চিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সুন্দর ও যথাযথভাবে পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন নিয়ে কোনো প্রকার অপপ্রচার চালানো হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশাপাশি শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোসহ অন্যান্য পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হবে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সারা দেশে ৬-১১ মাস বয়সী প্রায় ২৫ লাখ শিশু এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৯৪ লক্ষ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি আরো বলেন, ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর ফলে শিশু যে শুধু রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা পায় তা নয়, শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে, শিশুর মৃত্যুর হার কমায়, শিশুর স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করে এবং ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল এবং হামের জটিলতা কমায়। ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পর্যালোচনার জন্য ক্যাম্পেইনের দিন প্রতিটি উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seventeen + 1 =