এক মামলায় পরোয়ানা প্রত্যাহার, দুটির আদেশ পরে, একটির ৪ জুন

দুর্নীতির পৃথক চার মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আদালতে উপস্থাপনের পরোয়ানা প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন তার আইনজীবী। মামলাগুলো হলো- নাইকো দুর্নীতি, গ্যাটকো দুর্নীতি, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি এবং চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা।

বৃহস্পতিবার ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল কবীর শুনানি শেষে নাইকো দুর্নীতির মামলায় আদালতে উপস্থাপন করা পরোয়ানা প্রত্যাহারের আদেশ দেন।

অন্যদিকে ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন গ্যাটকো দুর্নীতির মামলা, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলা এবং ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ কে এস এম শাহ ইমরান শুনানি শেষে অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিন বহাল থাকা সংক্রান্ত আপিল বিভাগের আদেশ ওয়েবসাইটে দেখে আদেশ দেবেন বলে জানান।

এছাড়া ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আদালতে উপস্থাপন পরোয়ানা প্রত্যাহারের আবেদনের শুনানির দিন ৪ জুন ধার্য করেন। আদালত ওই আদেশ দেওয়ার পর তা পুনর্বিবেচনার জন্য খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আবেদন করলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া আদালতে উপস্থাপিত পরোয়ানা প্রত্যাহারের আবেদনগুলোর ওপর শুনানি করেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন। রায়ের পর ওই দিনই তাকে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিনের রোডের কারাগারে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি ওই কারাগারেই আছেন। গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট ওই মামলায় তার চার মাসের জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর গত ১৬ মে আপিল বিভাগ ওই জামিন বহাল রেখে আদেশ দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

four × 5 =