শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে রেকর্ড গড়া জয়ে বাংলাদেশের যত রেকর্ড

পুরো কলম্বো স্তব্ধ করে দিয়ে বাংলাদেশ স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গতরাতে তুলে নিয়েছে অসাধারণ এক জয়। হারতে থাকা বাংলাদেশ শিবিরে ফিরে এসেছে স্বস্তি। রেকর্ড রান তাড়া করে বাংলাদেশ যে জয় পেয়েছে তাতে উলট-পালট হয়েছে রেকর্ড বুক।

আর. প্রেমাদাসায় বাংলাদেশ যে কীর্তি গড়েছে তার এক ঝলক তুলে ধরছে ক্রীড়া বিভাগ।

প্রথম ২০০ : শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২১৫ রান করে বাংলাদেশ। এর আগে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে কখনো দুই‘শ ছুঁতে পারেনি বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ রান ছিল ৫ উইকেটে ১৯৩। সেটাও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঢাকায় চলতি বছরে ফেব্রুয়ারিতে।

রেকর্ড গড়ে জয় : টিটোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজর বিপক্ষে। ২০০৭ সালে জোহানেসবার্গে ১৬৪ রান তাড়া করে জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার প্রথমবারের মতো দুইশত রান তোলার পাশাপাশি রেকর্ড রান তাড়া করে জিতল টাইগাররা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চতুর্থ : আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ২৪৪, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৩২, ইংল্যান্ড ২৩০ রান তাড়া করে জিতেছিল।

তামিম-লিটনের জুটির রেকর্ড : প্রথম উইকেটে তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস ৭৪ রানের জুটি গড়েন। উদ্বোধনী জুটিতে যা বাংলাদেশের রেকর্ড। এর আগে ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই করেছিলেন ৭১ রান।

১২ ছক্কা : জয় পেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১২ ছক্কা হাঁকিয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে তিনবার ইনিংসে ৮ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড আছে বাংলাদেশের।

লিটনের ৫ ছক্কা : ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড স্পর্শ করেছেন লিটন। লিটন বাদে এ কীর্তি রয়েছে নাজিম উদ্দিন, জিয়াউর রহমান ও তামিম ইকবালের।

মুস্তাফিজের খরুচে বোলিং : এর আগে টি-টোয়েন্টি এতো বেশি রান দেননি মুস্তাফিজুর রহমান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪ ওভারে মুস্তাফিজ খরচ করেন ৪৮ রান। উইকেট পেয়েছেন ৩টি।

তাসকিনের আরেকটি : কমপক্ষে তিন ওভার বোলিং করে সবথেকে বেশি রান দেওয়ার তালিকায় আবার নাম তুললেন তাসকিন। দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩ ওভারে ৪১ রান দিয়েছিলেন ডানহাতি পেসার। কলম্বোতে কাল খরচ করেন ৩ ওভারে ৪০ রান। আল-আমিন সর্বোচ্চ ৩ ওভারে দিয়েছিলেন ৪৩ রান। মাশরাফি ৩ ওভারে খরচ করেছিলেন ৪১ রান। এরপরই তাসকিনের অবস্থান।

মাহমুদউল্লাহর প্রথম জয় : অধিনায়ক হিসেবে প্রথম জয়ের স্বাদ পেলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাকিবের ইনজুরিতে তাঁর কাঁধে দলের দায়িত্ব। এ ম্যাচের আগে তিন টি-টোয়েন্টিতে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। জয়ের মুখ দেখলেন চতুর্থ ম্যাচে এসে।

মুশফিক কীর্তি : ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস উপহার দিয়ে বাংলাদেশকে জয় এনে দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। ৩৫ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৭২ রান করেন মুশফিক। যা তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। এর আগে ৬৬ রান করেছিলেন ঢাকায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই।

৪২৯ রান : রান উৎসবের ম্যাচে ৪২৯ রান তুলেছে দুই দল। সর্বোচ্চ রানের তালিকায় এ রান উঠে এসেছে শীর্ষ দশে। সর্বোচ্চ ৪৮৯ রান হয়েছিল ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fourteen − 14 =