রোববার থেকে বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিলার

বাংলাদেশে নব নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার দায়িত্ব গ্রহণের উদ্দেশ্যে আগামীকাল রোববার ঢাকা আসছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের যোগদানকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রদূত মিলার শনিবার ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন দেওয়ার পর জুলাই মাসে কংগ্রেসের অনুমোদন পান আর্ল রবার্ট মিলার। তিনি ঢাকায় মার্শা বার্নিকাটের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। তিন বছর আট মাস দায়িত্ব পালন শেষে বার্নিকাট এরই মধ্যে ওয়াশিংটনে ফিরে গেছেন।

এর আগে প্রথা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। পররাষ্ট্র দপ্তরের চিফ অব প্রটোকল সেন ললার শপথ পরিচালনা করেন।

রাষ্ট্রদূত মিলারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা ও মার্শা বার্নিকাটও রাষ্ট্রদূত মিলারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন, সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা ও মার্শা বার্নিকাট বাংলাদেশে নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে আর্ল মিলারকে অভিনন্দন জানান ও তার সফলতা প্রত্যাশা করেন।

আর্ল রবার্ট মিলার সর্বশেষ বতসোয়ানায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৭ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে যোগ দেন এই পেশাদার কূটনীতিক। তিনি ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া নয়াদিল্লি, বাগদাদ ও জাকার্তায় মার্কিন দূতাবাসে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।

মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনাইটেড স্টেটস মেরিন কপস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর মার্কিন মেরিন কোরে যোগ দেন আর্ল রবার্ট মিলার। এর মধ্যে তিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত মেরিন কোরে এবং ১৯৮৫ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত মেরিন কোর রিজার্ভে অফিসার পদে ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × four =