‘নির্বাচনকালীন সরকার শুক্রবার গঠন হতে পারে’

বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে, শুক্রবার নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারে নতুন মন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হবে কি না-সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন। এখনো অবশ্য পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়নি।

এসব মন্ত্রণালয়ে নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘না, নতুন কাউকে আনা হবে না। এ চার মন্ত্রণালয়ে বর্তমান মন্ত্রীদের মধ্য থেকে বাড়তি দায়িত্ব হিসেবে দেওয়া হবে।’

আপনি নিশ্চিত নতুন কোনো মুখ আসছে না-প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘মোটামুটি নিশ্চিত। কারণ, সরকারটা তো কোয়ালিশন সরকার। এমন কোনো সদস্য নেই যাকে দেওয়ার দরকার আছে। সুতরাং আমার মনে হয় না কোনো এডিশন হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত বুধবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নূরুল ইসলাম বিএসসি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান পদত্যাগপত্র জমা দেন।

অপরদিকে এদিন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, একসেপ্ট করতে হবে। একসেপ্ট তো করবেন, যেহেতু উনি বলেছেন করতে। এখন হয়তো সময়ের ব্যাপার।

বিভিন্ন রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সংলাপ প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, আলোচনা শেষ হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন শুক্রবার হতে পারে বলেও তিনি ধারণা দেন।

আসন্ন নির্বাচনে সিলেট থেকে নির্বাচনে দাঁড়াবেন কি না প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘না না। আমি তো দাঁড়াবো না। ইটস মাই ডিসিশন। আমি নমিনেশন পেপার সাবমিট করবো। ডামি কিছু সাবমিট করতে হয়। যদি আমাদের প্রার্থী যিনি হবেন তিনি কোন কারণে বাদ পড়ে যান তাহলে আমাকে দাঁড়াতে হবে বিষয়টি এরকম। এটা রুটিন ব্যাপার। আমি এখন অবসরে যেতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

twenty − 18 =