যেভাবে পাথর হয় কিডনিতে

শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ কিডনি। কিডনি একবার মুখ ফিরিয়ে নিলে মানুষের বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই শরীরের সুস্থতায় কিডনির যত্ন নেওয়া জরুরি।

শরীরের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ কিডনি। শরীরে জমে থাকা বর্জ্য পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। এ অঙ্গের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কিডনিতে পাথর হওয়া।

কিন্তু কিডনির পাথর হওয়া রোধ করার কিছু উপায় আছে- আসুন জেনে নেওয়া যাক কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণগুলো।

কাচা লবণ খাবেন না: খাবারে লবন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কারণ লবণের সোডিয়াম সহজে কিডনি দূর করতে পারে না। তা জমা হতে থাকে কিডনিতে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের কারণেও কিডনিতে পাথর জমার সম্ভাবনা বাড়ে।

পরিমিত জল পান করুন: কিডনির কাজ হচ্ছে শরীরের বর্জ্য ছেঁকে শরীরকে টক্সিনমুক্ত করা। আর এই কাজটি কিডনি করে পানির সহায়তায়। যদি পানি পরিমিত পান না করেন, তাহলে কিডনি শরীরের বর্জ্য দূর করতে পারে না। ফলে ওই বর্জ্য কিডনিতে জমা হতে থাকে পাথর হিসেবে। সুতরাং, পরিমিত পানি পান করুন।

কিডনি ভালো রাখতে আমাদের কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ। আসুন জেনে নেওয়া যাক কিডনি সুস্থ রাখার কিছু উপায়।

১। প্রতিদিন অন্তত ২-৩ লিটার পানি পান করা দরকার।

২। প্রস্রাব কখনই চেপে রাখবেন না। এতে সংক্রমণ (ইনফেকশন) হওয়ার ভয় থাকে।

৩। চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ, বিশেষ করে ব্যথানাশক (পেইনকিলার) ওষুধ বা কোনও অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না।

৪। আপনার বয়স চল্লিশ বছরের বেশি হয়ে গেলে নিয়মিত বছরে অন্তত একবার ডায়বেটিস ও ব্লাড প্রেশার পরীক্ষা করান। ডায়বেটিস বা ব্লাড প্রেশার থাকলে তা নিয়ম মেনে নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

৫। বছরে অন্তত একবার প্রসাবের মাইক্রো-এলবুমিন পরীক্ষা করান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

six + eighteen =