জানেন, কুকুরের লেজ বাঁকা হয় কেন?

আমরা অনেকেই অনেককে কুকুরের লেজের উদাহরণ টেনে বলে থাকি, ‌‘কুকুরের লেজ, সিধে হওয়ার না’। অথবা এমনও বলি, ‘নয় মণ ঘি ঢেলে তপস্যা করলেও কুকুরের বাঁকা লেজ সোজা হবে না’।

এর অর্থ হচ্ছে, কুকুরের লেজ সত্যি সত্যি সোজা হয় না। বাঁকা আছে। বাঁকা থাকবেও। কিন্তু এমন বিখ্যাত বাঁকা ব্যাপার কুকুরের লেজ পেল কীভাবে? এমন কি কখনও ভেবেছি? না ভাবলেও এই কথা শোনার সাথে সাথে নিশ্চয় আপনার প্রশ্নটা জেঁকে বসেছে? উত্তর কি তবে জানতে চান? তাহলে আসুন সহজ উত্তর, জেনে নিন।

পরস্পর গাঁথা কশেরুকায় কুকুরদের লেজ এমনভাবে গঠিত যে স্বাভাবিক অবস্থাতেই তা কিঞ্চিৎ বাঁকানো থাকে। কুকুরদের লেজের যে গাঁথুনি, তা রীতিমতো নমনীয়। সে কারণেই স্রেফ পেশি সঞ্চালনের মাধ্যমে কুকুর লেজ নাড়তে পারে।

এই নমনীয়তার কারণেই কুকুরের লেজ হাত দিয়ে সোজা করে দিলেও, ছেড়ে দেওয়ার পরক্ষণেই তা ফের বাঁকা হয়ে যায়। দীর্ঘদিন এভাবে সোজা করে রাখতে অবশ্য কশেরুকার গঠন বদলে যাবে।

সে ক্ষেত্রে লেজ সোজা হয়ে যেতে পারে। মনে রাখা প্রয়োজন, কুকুর লেজ নাড়ে তার ইচ্ছেয়। কয়েকটি প্রজাতির কুকুরের লেজ সিধেই থাকে। সে-ও কশেরুকার গঠনের জন্য। এমন মনে করার কোনও কারণ নেই যে, কুকুরের লেজ সোজা হয়ে যাওয়ার অর্থ তার মাথায় গোলমাল বেঁধেছে। স্রেফ তার লেজের গঠন বদলেছে, এই যা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

5 × three =